যুক্তরাজ্যের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা ও সার্বভৌমত্বের জন্য এক অভূতপূর্ব সংকট তৈরি করছে রাশিয়া এবং ইরান। ব্রিটিশ অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা ও গোয়েন্দা সংস্থা ‘এমআই৫’ (MI5)-এর মহাপরিচালক কেন ম্যাককালাম সম্প্রতি এক বার্ষিক নিরাপত্তা ব্রিফিংয়ে এই বিষয়ে অত্যন্ত কঠোর সতর্কবার্তা উচ্চারণ করেছেন। তিনি জানিয়েছেন, মস্কো এবং তেহরান ব্রিটিশ ভূখণ্ডে সরাসরি এবং পরোক্ষভাবে একের পর এক নাশকতামূলক তৎপরতা, গুপ্তচরবৃত্তি এবং সহিংস ষড়যন্ত্রের জাল বিস্তার করে চলেছে, যা যুক্তরাজ্যের সামগ্রিক নিরাপত্তার ভিত্তিকে নাড়িয়ে দেওয়ার উপক্রম করেছে।
বিশেষ করে ব্রিটিশ মাটিতে ভিন্নমতাবলম্বী এবং ইহুদি সম্প্রদায়ের ওপর ইরানের মদদপুষ্ট সাম্প্রতিক হামলার চক্রান্তগুলোকে ব্রিটিশ গোয়েন্দা প্রধান অত্যন্ত কড়া ভাষায় আক্রমণ করে একে ‘বমি উদ্রেককারী’ বা চরম ঘৃণ্য (sickening) বলে অভিহিত করেছেন। একইসঙ্গে ইউক্রেন যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে ব্রিটিশ সহায়তাকে বাধাগ্রস্ত করতে রুশ সামরিক গোয়েন্দা সংস্থা জিআরইউ (GRU)-এর অব্যাহত অগ্নিসংযোগ, সাইবার আক্রমণ এবং বিভ্রান্তিমূলক অপপ্রচার চালানোর কৌশল পুরো পশ্চিমা বিশ্বকে এক নতুন ধরনের সংঘাতের মুখে দাঁড় করিয়েছে বলে তিনি অভিমত প্রকাশ করেন।
{getToc} $title={Table of Contents}এমআই৫ প্রধানের সতর্কবার্তা: যুক্তরাজ্যের সার্বভৌমত্বে বহুমুখী আঘাত
ব্রিটিশ নিরাপত্তা কাঠামোর শীর্ষ কর্মকর্তা কেন ম্যাককালাম তাঁর বক্তব্যে স্পষ্ট করেছেন যে, বর্তমান নিরাপত্তা পরিস্থিতি স্নায়ুযুদ্ধের চেয়েও বহুগুণে জটিল ও স্পর্শকাতর। অতীতে বিদেশি গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর তৎপরতা নির্দিষ্ট কূটনৈতিক বলয় বা প্রচলিত গুপ্তচরবৃত্তির মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকলেও এখন তা উন্মুক্ত সহিংসতা এবং জননিরাপত্তা বিঘ্নিত করার রূপ ধারণ করেছে। যুক্তরাজ্য এখন এমন এক শত্রুর মুখোমুখি, যারা সার্বভৌম রাষ্ট্রের নিয়মরীতির কোনো তোয়াক্কা না করে সরাসরি সাধারণ নাগরিক ও জাতীয় অবকাঠামোকে নিশানা বানাচ্ছে।
তিনি উল্লেখ করেন, প্রথাগত সামরিক আগ্রাসন ছাড়াই সমাজকে অস্থিতিশীল করার এই বহুমুখী কৌশলকে আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে ‘হাইব্রিড থ্রেট’ বা সংকর হুমকি বলা হয়। এর আওতায় ভুল তথ্যের বিস্তার, গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায় অগ্নিসংযোগ, সাইবার হ্যাকিং এবং ভাড়াটে গুন্ডাবাহিনী ব্যবহার করে লক্ষ্যবস্তু নির্মূলের মতো নানা অপকৌশল অবলম্বন করা হচ্ছে। যুক্তরাজ্যকে দুর্বল করতে মস্কো ও তেহরানের এই আঁতাত ও প্রতিযোগিতা লন্ডনকে এক জটিল প্রতিরক্ষা চ্যালেঞ্জের মুখে ফেলেছে।
"আমরা দেখছি কীভাবে রাষ্ট্রীয় মদদে আমাদের রাস্তায় বিশৃঙ্খলা, সহিংসতা ও অগ্নিসংযোগের চক্রান্ত করা হচ্ছে। বিশেষ করে নিরীহ ইহুদি জনগোষ্ঠী এবং যুক্তরাজ্যের মাটিতে আশ্রয় নেওয়া রাজনৈতিক ভিন্নমতাবলম্বীদের লক্ষ্য করে যে ঘৃণ্য চক্রান্ত তেহরান চালাচ্ছে, তা এককথায় অবর্ণনীয় ও অগ্রহণযোগ্য।"
ইরানের পরিচালিত চক্রান্ত ও ইহুদি সম্প্রদায়ের ওপর নজরদারি
এমআই৫-এর তথ্যানুসারে, সাম্প্রতিক বছরগুলোতে ইরানি নিরাপত্তা বাহিনীর নজরদারির পরিধি নাটকীয়ভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। মধ্যপ্রাচ্যের চরম ভূরাজনৈতিক উত্তেজনার আঁচ এখন সরাসরি লন্ডনের অলিগলিতে এসে পৌঁছাচ্ছে। বিশেষ করে গাজা যুদ্ধ এবং মধ্যপ্রাচ্যের সাম্প্রতিক অস্থিরতাকে কেন্দ্র করে যুক্তরাজ্যে বসবাসরত ইহুদি প্রতিষ্ঠান, উপাসনালয় এবং বিশিষ্ট ব্যক্তিদের ওপর হামলা পরিচালনার জন্য তেহরান একাধিক গোপন পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে।
টার্গেট কিলিং ও অপহরণের চক্রান্ত
কেন ম্যাককালাম জানিয়েছেন, ২০২২ সালের পর থেকে যুক্তরাজ্যে অবস্থানরত ব্রিটিশ বা দ্বৈত নাগরিকত্বধারী ইরানি ভিন্নমতাবলম্বীদের লক্ষ্য করে অন্তত ২০টিরও বেশি মারাত্মক চক্রান্ত নস্যাৎ করেছে ব্রিটিশ পুলিশ ও গোয়েন্দা সংস্থা। ইরান সরকার সমালোচক সাংবাদিক, মানবাধিকার কর্মী এবং রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকে অপহরণ করে তেহরানে ফিরিয়ে নেওয়ার কিংবা লন্ডনের বুকেই গুপ্তহত্যার মাধ্যমে স্তব্ধ করে দেওয়ার পরিকল্পনা করেছিল। ব্রিটিশ গোয়েন্দারা অত্যন্ত সতর্কতার সঙ্গে এই ছকগুলো ভেঙে দিতে সক্ষম হলেও হুমকি এখনো চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে।
ইহুদি এবং ইসরায়েলি প্রতিষ্ঠানের নিরাপত্তা শঙ্কা
প্রতিবেদনে বিশেষভাবে জোর দেওয়া হয়েছে যুক্তরাজ্যে ইহুদি জনগোষ্ঠীর নিরাপত্তার ওপর। ইরান-সমর্থিত গোষ্ঠীগুলো সরাসরি পশ্চিমা সমাজে সাম্প্রদায়িক বিভাজন উসকে দেওয়ার পাশাপাশি ইহুদি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও সিনাগগে হামলার প্রস্তুতি নিচ্ছিল বলে প্রমাণ পাওয়া গেছে। ম্যাককালামের ভাষায়, এসব অপতৎপরতা অত্যন্ত নোংরা এবং ব্রিটিশ সমাজের সহনশীলতার সংস্কৃতির ওপর সরাসরি কুঠারাঘাত। এই ধরনের কর্মকাণ্ড রুখতে ব্রিটিশ পুলিশ এখন ইহুদি অধ্যুষিত এলাকাগুলোতে নজরদারি ও টহল কয়েক গুণ বাড়িয়ে দিয়েছে।
রুশ গোয়েন্দা সংস্থা জিআরইউ-এর নাশকতামূলক তৎপরতা
অন্যদিকে রাশিয়ার আগ্রাসী আচরণ যুক্তরাজ্যসহ পুরো ইউরোপের জন্যই স্থায়ী উদ্বেগের কারণ হয়ে উঠেছে। ইউক্রেন যুদ্ধে ব্রিটেনের দৃঢ় ও প্রকাশ্য সমর্থনের প্রতিশোধ নিতে মস্কো ইউকে-এর অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা ব্যবস্থাকে সরাসরি চ্যালেঞ্জ জানাচ্ছে। রুশ সামরিক গোয়েন্দা সংস্থা জিআরইউ ইউক্রেনের সমর্থক দেশগুলোর লজিস্টিকস সরবরাহ লাইন ধ্বংস করতে ইউরোপজুড়ে এক বিস্তৃত অন্তর্ঘাতমূলক কর্মকাণ্ডের নেটওয়ার্ক গড়ে তুলেছে।
অগ্নিসংযোগ ও ভৌত অবকাঠামোতে আঘাতের ঝুঁকি
যুক্তরাজ্যের গুদামঘর, বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান এবং গুরুত্বপূর্ণ সরবরাহ চেইনে রহস্যজনক অগ্নিকাণ্ডের পেছনে রাশিয়ার হাত থাকার সুনির্দিষ্ট প্রমাণ এমআই৫-এর নজরে এসেছে। ম্যাককালাম জানান, মস্কো এখন যেকোনো মূল্যে ব্রিটেনের অভ্যন্তরে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করতে চায়, যাতে ব্রিটিশ সরকার ও জনগণ ইউক্রেনকে সহায়তা দেওয়ার ব্যাপারে নিরুৎসাহিত হয়। বিশেষ করে ইউক্রেনগামী মানবিক ও সামরিক রসদ যেখানে মজুদ থাকে, সেই কেন্দ্রগুলো জিআরইউ-এর প্রধান টার্গেটে পরিণত হয়েছে।
সাইবার স্পেসে ধারাবাহিক আগ্রাসন
ভৌত অবকাঠামোর পাশাপাশি যুক্তরাজ্যের জাতীয় স্বাস্থ্যসেবা (NHS), প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় এবং বিভিন্ন আর্থিক প্রতিষ্ঠানের ডিজিটাল নেটওয়ার্কে রাশিয়ার সরকারি হ্যাকার গোষ্ঠীগুলো প্রতিনিয়ত সাইবার আক্রমণ চালাচ্ছে। স্পর্শকাতর সরকারি তথ্য চুরি করা এবং সাধারণ পরিষেবা বিপর্যস্ত করে সাধারণ মানুষের মাঝে আতঙ্ক ছড়ানোই এই সাইবার ক্যাম্পেইনের মূল উদ্দেশ্য বলে ব্রিটিশ গোয়েন্দারা চিহ্নিত করেছেন।
"রুশ জিআরইউ ক্রমাগতভাবে ব্রিটিশ ও ইউরোপীয় রাজপথে নাশকতা চালানোর এক বিপজ্জনক মিশনে রয়েছে। আমরা প্রতিনিয়ত তাদের ধ্বংসাত্মক পরিকল্পনা শনাক্ত ও নিষ্ক্রিয় করছি।"
অপরাধ চক্রের ব্যবহার: রাষ্ট্রীয় মদদপুষ্ট 'প্রক্সি' অপরাধী
এমআই৫ প্রধানের বক্তব্যের অন্যতম চাঞ্চল্যকর দিক ছিল বিদেশি রাষ্ট্রগুলোর অপরাধ জগতের সঙ্গে গভীর আঁতাতের বিষয়টি। কূটনীতিবিদ বহিষ্কারের পর পশ্চিমা দেশগুলোতে রাশিয়া ও ইরানের নিজস্ব পেশাদার গোয়েন্দা কর্মকর্তাদের উপস্থিতি ব্যাপকভাবে হ্রাস পেয়েছে। এই শূন্যতা পূরণে মস্কো ও তেহরান এখন স্থানীয় অপরাধ চক্র, মাদক চোরাকারবারি এবং আন্তর্জাতিক ভাড়াটে সন্ত্রাসীদের আর্থিক সুবিধা দিয়ে ব্যবহার করছে।
এই ‘প্রক্সি অপরাধী’ ব্যবহারের পেছনে দুটি প্রধান কারণ রয়েছে। প্রথমত, স্থানীয় অপরাধীদের সহজেই অর্থ দিয়ে যেকোনো কাজে নিয়োগ করা যায়, যা ব্যয় ও সময় বাঁচায়। দ্বিতীয়ত এবং সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো ‘প্লজিবল ডিনায়াবিলিটি’ বা অস্বীকার করার সুযোগ। কোনো নাশকতা ধরা পড়লে সংশ্লিষ্ট রাষ্ট্র খুব সহজেই দাবি করতে পারে যে এটি কোনো সাধারণ অপরাধী চক্রের কাজ, এতে কোনো সরকারি সংশ্লিষ্টতা নেই। তবে ব্রিটিশ গোয়েন্দারা স্পষ্ট করেছেন যে, এই ছদ্মবেশের আড়ালে লুকিয়ে থাকা বিদেশি হ্যান্ডলারদের তারা পুরোপুরি চিহ্নিত করতে সক্ষম হচ্ছেন।
হাইব্রিড যুদ্ধের পটভূমি এবং ইউরোপীয় নিরাপত্তার ভূরাজনীতি
যুক্তরাজ্যের মাটিতে বিদেশি শক্তির প্রাণঘাতী হামলার ইতিহাস নতুন নয়। ২০০৬ সালে লন্ডনে সাবেক রুশ গুপ্তচর আলেকজান্ডার লিতভিনেঙ্কোকে তেজস্ক্রিয় পোলোনিয়াম প্রয়োগে হত্যা কিংবা ২০১৮ সালে সলসবেরিতে সের্গেই স্ক্রিপাল ও তাঁর মেয়ের ওপর রাসায়নিক নার্ভ এজেন্ট ‘নোভিচক’ হামলার ঘটনা বিশ্ব রাজনীতিতে ব্যাপক আলোড়ন তুলেছিল। তবে অতীত কর্মকাণ্ডের তুলনায় বর্তমান হাইব্রিড যুদ্ধের পরিধি অনেক বেশি বিস্তৃত এবং বহুমুখী।
ইউরোপের অন্যান্য দেশ যেমন পোল্যান্ড, জার্মানি এবং বাল্টিক রাষ্ট্রগুলোতেও সাম্প্রতিক সময়ে রহস্যজনক অগ্নিকাণ্ড, ট্রেন লাইন উপড়ে ফেলা এবং শিল্পাঞ্চলে বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটছে। ন্যাটো এবং ইউরোপীয় ইউনিয়নের গোয়েন্দারা একযোগে স্বীকার করছেন যে, এটি মস্কোর পরিচালিত সমন্বিত ইউরোপব্যাপী নাশকতার অংশ। এই সম্মিলিত ইউরোপীয় অস্থিরতার মাঝেই যুক্তরাজ্যকে সবচেয়ে বড় লক্ষ্য হিসেবে বেছে নেওয়ার পেছনে লন্ডনের শক্ত ইউক্রেনপন্থী কূটনীতি কাজ করছে।
যুক্তরাজ্যের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা ও আন্তর্জাতিক প্রভাব
এমআই৫ প্রধানের এই কঠোর সতর্কতা কেবল যুক্তরাজ্যের স্থানীয় জনগণের জন্য নয়, বরং আন্তর্জাতিক মহলেও এক জোরালো বার্তা পাঠিয়েছে। প্রথমত, ব্রিটেনের অভ্যন্তরীণ আইনের কঠোর প্রয়োগ শুরু হয়েছে। নতুন পাশ হওয়া ‘ন্যাশনাল সিকিউরিটি অ্যাক্ট’-এর অধীনে এখন বিদেশি শক্তির হয়ে কাজ করা অপরাধীদের বিরুদ্ধে কঠোরতম আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। ব্রিটিশ সন্ত্রাসবিরোধী পুলিশ এখন যেকোনো সন্দেহজনক আন্তর্জাতিক গতিবিধিকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে তদন্ত করছে।
আন্তর্জাতিকভাবে, যুক্তরাজ্য তার মিত্র দেশগুলো—বিশেষ করে ‘ফাইভ আইজ’ (যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা, অস্ট্রেলিয়া, নিউজিল্যান্ড ও যুক্তরাজ্য) এবং ইউরোপীয় অংশীদারদের সঙ্গে তথ্য আদান-প্রদান নজিরবিহীনভাবে বাড়িয়ে দিয়েছে। গোয়েন্দা সংস্থাগুলো বিশ্বাস করে, সমন্বিত বৈশ্বিক প্রতিরোধ ছাড়া মস্কো এবং তেহরানের এই চোরাগোপ্তা আক্রমণকে পুরোপুরি থামানো সম্ভব নয়। একইসঙ্গে পশ্চিমা দেশগুলোতে অবস্থিত ইরানি ও রুশ কূটনৈতিক কেন্দ্রগুলোর ওপর কঠোর নজরদারি বলয় গড়ে তোলা হচ্ছে।
শেষ কথাঃ যুক্তরাজ্যে হাইব্রিড যুদ্ধ এবং রাষ্ট্রীয় মদদপুষ্ট সন্ত্রাসবাদের এই নতুন পর্ব আন্তর্জাতিক নিরাপত্তার চরম ভঙ্গুরতাকে তুলে ধরেছে। কেন ম্যাককালামের সতর্কবার্তা এটাই প্রমাণ করে যে, ভৌগোলিক সীমানা পেরিয়ে আন্তর্জাতিক ভূরাজনীতির দ্বৈরথ এখন সাধারণ নাগরিকদের দ্বারে এসে পৌঁছেছে। এই বহুমুখী ও বিপজ্জনক পরিস্থিতি মোকাবিলায় সামরিক কৌশলের পাশাপাশি পুলিশি তৎপরতা, আধুনিক সাইবার প্রতিরক্ষা এবং জনসচেতনতার সমন্বিত প্রয়োগই হতে পারে ব্রিটেনের জন্য একমাত্র কার্যকর ঢাল।
তথ্যসূত্রঃ The New York Times